• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জয়পুরহাটে বিয়ের দাবিতে অনশনে প্রেমিকা: পালালেন প্রেমিক

জয়পুরহাট প্রতিনিধি।। জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাঁশখুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে নুরনবী হোসেন নামের এক প্রেমিকের বাড়ীতে গিয়ে অনশনে বসেছেন এক নারী।
সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুর থেকে দিনভর এই অনশনে বসেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। ওই নারীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ নুরনবীর সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভনে একাধিক বার শারীরিক সম্পর্কও করেন সে।
জানা গেছে, উপজেলার বড়পুকুরিয়া গ্রামের ওই নারীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বাঁশখুর গ্রামের নুরনবীর সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। এর আগে ভুক্তভোগী ওই নারী নুরনবীর বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেছেন। সেই মামলায় নুরনবী কিছুদিন কারাবাসও করেছেন। জামিনে এসে নুরনবী পুনরায় ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এদিকে স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে ওই নারীকে তালাক দেন তাঁর স্বামী।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, নুরনবী আমাকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। এখন সে আমাকে রেখে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। নুরনবীর কারনে আমার সংসারও ভেঙেছে। আমি বাধ্য হয়ে নুরনবীর বাড়ীতে এসে অনশন করছি। সে যদি এখন আমাকে বিয়ে না করে তাহলে আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলাম বলেন, সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুর থেকে ওই নারী নুরনবীর বাড়ীতে এসে অবস্থান করছেন। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলার রক্ষার্থে আমি সেখানে যায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশও সেখানে আসে। এদিকে বিষয়টি সমাধানের লক্ষে ছেলের পরিবারের সঙ্গে বসা হলে ছেলের পরিবার ওই নারীর সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে এখন কালক্ষেপণ করছেন। ওই নারী বর্তমানে ছেলের বাড়ীতে অবস্থান করছেন।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ জাহিদুল হক  বলেন, ছেলের বাড়ি থেকে ৯৯৯ এ কল দিয়েছিলো,পুলিশ সেখানে গিয়েছিলো, তারপর তারা নিজেরদের মধ্যে মিমাংসা করে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তারপর পুলিশ সদস্যরা চলে আসে, এখন কি অবস্থা এই বিষয়ে আমরা জানি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ